পিবিআই জানিয়েছে, তাদের কাছ থেকে তিনটি ব্যাংকের ডেবিট কার্ডসহ বিভিন্ন আলামত জব্দ করা হয়েছে। পরে আদালত তাদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। জিজ্ঞাসাবাদে তারা প্রতারণার বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পিবিআই।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বাদী এন সায়েম উদ্দিন আহমেদ টেলিগ্রামে পরিচিত এক ব্যক্তির প্রলোভনে পড়ে অনলাইনে বিনিয়োগ শুরু করেন। বিমানের টিকিটে রেটিং দেওয়া এবং কম দামে টিকিট কিনে বিক্রির ব্যবসার কথা বলে তাকে বিনিয়োগে উৎসাহিত করা হয়।
পরে লাভ ও মূলধন ফেরত দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন ধাপে সিকিউরিটি ও ক্লিয়ারেন্স ফি বাবদ টাকা নেওয়া হয়। এভাবে তার কাছ থেকে মোট ৩৪ লাখ ৫৪ হাজার ২৮৬ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
তদন্তে পিবিআই জানতে পারে, আসামি মেহেদী কম্বোডিয়ায় অবস্থানকালে সুমাইয়ার সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তোলেন। পরে সুমাইয়ার ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে প্রতারণার টাকা লেনদেন করা হতো।
সেই হিসাবে জমা হওয়া টাকা পরে মেহেদী ও নাঈমের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করা হতো।
পিবিআই আরও জানিয়েছে, কম্বোডিয়াভিত্তিক এই চক্রের একাধিক গ্রুপ ও বাংলাদেশি এজেন্ট রয়েছে। তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করত। এরপর অনলাইনে বিনিয়োগের কথা বলে অর্থ হাতিয়ে নিত।
জব্দ করা আলামতের ভিত্তিতে চক্রটির অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পিবিআই।