জিজ্ঞাসাবাদে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা জানান, তারা লিবিয়ার উপকূল থেকে সমুদ্রপথে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিলেন। তাদের সম্ভাব্য গন্তব্য ছিল গ্রিস। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত গন্তব্য সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য দেয়নি কর্তৃপক্ষ।
উদ্ধারের পর ৫৪ জনকে মিশরীয় কর্তৃপক্ষের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। চলছে তাদের পরিচয়, নাগরিকত্ব ও যাত্রাপথ যাচাইয়ের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া।
এদিকে কায়রোতে বাংলাদেশ দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, মিশরের দামিয়াত্তা উপকূলেও সম্প্রতি সমুদ্রপথে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টাকালে কয়েকজন বাংলাদেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের দেশে ফেরানোর বিষয়ে মিশরীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছে দূতাবাস।
লিবিয়া হয়ে ইউরোপে যাওয়ার এই সমুদ্রপথে আগেও একাধিক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। গত মাসে ৩৮ বাংলাদেশিকে বহনকারী একটি নৌযান প্রায় ১১ দিন সাগরে ভেসে থাকার পর অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়। বেঁচে যাওয়া ২৯ জনকে পরে মিশরের একটি হেফাজতকেন্দ্রে রাখা হয়।
বারবার এমন ঘটনায় ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথে অনিয়মিত ইউরোপযাত্রার ভয়াবহ চিত্রই সামনে আসছে।