বৈঠকে মালদ্বীপের ডলার সংকট, ব্যাংকিং খাতের তারল্য, রুফিয়া থেকে বৈদেশিক মুদ্রায় রূপান্তর এবং প্রবাসীদের দেশে অর্থ পাঠানোর বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনা হয়।
হাইকমিশনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য **৫০ থেকে ১০০ মার্কিন ডলার সমপরিমাণ অর্থও যেন বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে পাঠানো যায়**, এমন একটি ব্যবস্থা তৈরির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে ব্যাংকগুলোর প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।
হাইকমিশন বলছে, মালদ্বীপে কর্মরত বাংলাদেশিদের বড় একটি অংশ রুফিয়ায় বেতন পান। ফলে সেই অর্থ ডলারে রূপান্তর করে দেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে তাদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে শুধু বাংলাদেশিরাই নয়, ভারতীয়, শ্রীলঙ্কান ও পাকিস্তানি প্রবাসীরাও রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে বৈদেশিক মুদ্রার সংকটজনিত সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হচ্ছেন।
বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগের লক্ষ্য হলো প্রবাসীদের ছোট অঙ্কের অর্থও যেন নিরাপদ ও বৈধ পথে দেশে পাঠানো যায় এবং অবৈধ অর্থ লেনদেনের ওপর নির্ভরতা কমে।