হ্রদের তীর সাদা। পানির রং নীল। এই অদ্ভুত সৌন্দর্যের কারণ হাইড্রোম্যাগনেসাইটের সমৃদ্ধ খনিজ স্তর। কোথাও কোথাও হ্রদটির গভীরতা প্রায় ২০০ মিটার।
হ্রদের পাশে ঘোরাঘুরি, পিকনিক ও সাঁতার কাটার পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকায় হাঁটার সুযোগও রয়েছে। তবে জায়গাটির সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় লুকিয়ে আছে পানির নিচে।
এখানে পৃথিবীর প্রাচীনতম জীবনের কিছু চিহ্ন পাওয়া গেছে। এসব প্রাচীন জীবাশ্ম নাসার বিজ্ঞানীদের মঙ্গলগ্রহে পাঠানো ২০২০ সালের অভিযানের প্রস্তুতিতেও কাজে লেগেছিল।
ক্যাপাডোসিয়ার মাটির নিচের শহর
তুরস্কের ক্যাপাডোসিয়া অঞ্চলের মাটির নিচে রয়েছে কায়মাকলি নামে একটি প্রাচীন শহর। নরম আগ্নেয় পাথরের নিচে তৈরি এই শহরে রয়েছে শতাধিক সুড়ঙ্গ।
সুড়ঙ্গগুলো প্রায় ৪০ মিটার গভীর পর্যন্ত নেমে গেছে। একসময় আরব-বাইজেন্টাইন যুদ্ধের সময় খ্রিস্টানরা এখানে আশ্রয় নিতেন।