স্টকহোমের অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। সুইডেনের নিরাপত্তা বিষয়ে ইরান হস্তক্ষেপ করেছে, এমন অভিযোগেরও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে দেশটি।
ইরান বলেছে, সুইডেনের পদক্ষেপ ‘অন্যায্য’ এবং এটি আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে। একই সঙ্গে ইরানি দূতাবাসের স্বাভাবিক কার্যক্রমে স্টকহোম বাধা সৃষ্টি করছে বলেও অভিযোগ করেছে তেহরান।
সুইডেনের বিরুদ্ধে ইরানের প্রতি ‘শত্রুতামূলক নীতি’ অনুসরণের অভিযোগও করেছে ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তেহরানবিরোধী ব্যক্তি ও গোষ্ঠীগুলোকে সুইডেনে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগও তুলেছে তারা।
ইরান জানিয়েছে, নিজেদের অধিকার ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর মধ্যে পারস্পরিকতার নীতিও প্রয়োগ করা হবে বলে উল্লেখ করেছে দেশটি।
এর আগে বুধবার সুইডেনের সরকার জানায়, ইরানি রাষ্ট্রদূতকে তলব করার পর স্টকহোমে ইরানি দূতাবাসের এক কর্মকর্তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
সুইডিশ সরকার বলেছে, ওই কর্মকর্তাকে এমন কিছু কর্মকাণ্ডের অভিযোগে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা ‘কূটনৈতিক সম্পর্কবিষয়ক ভিয়েনা কনভেনশনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়’।