তবে নির্ধারিত চুক্তির মেয়াদ রয়েছে—এমন বড় সরকারি অনুমোদিত অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্পগুলো এই স্থগিতাদেশের আওতামুক্ত থাকবে।
আইন অমান্য করলে জরিমানা, বাধ্যতামূলকভাবে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো এবং ব্যবসায়িক লাইসেন্স বাতিলসহ বিভিন্ন শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। অনুমোদন ছাড়া শ্রমিক আমদানি বা নিয়োগ করলে প্রতি শ্রমিক ও প্রতি লঙ্ঘনের জন্য নিয়োগকর্তাকে ২৫ লাখ লাও কিপ বা প্রায় ১১০ মার্কিন ডলার জরিমানা দিতে হবে।
এ ছাড়া অন্য শ্রম ইউনিটে পুনর্বণ্টনের উদ্দেশ্যে শ্রমিক আমদানি করলেও একই পরিমাণ জরিমানা প্রযোজ্য হবে। অন্য শ্রম ইউনিটের কর্মী ব্যবহার বা গ্রহণকারী নিয়োগকর্তাদের প্রতি কর্মী হিসেবে ২০ লাখ লাও কিপ বা প্রায় ৮৯ ডলার জরিমানা করা হবে।
অনুমতি ছাড়া কোনো শ্রমিক নির্ধারিত কর্মস্থল ছেড়ে অন্যত্র কাজ করলে প্রতি ব্যক্তি ও প্রতি ঘটনার জন্য ১০ লাখ লাও কিপ বা প্রায় ৪৪ ডলার জরিমানা এবং ৩০ দিনের মধ্যে বহিষ্কারের বিধান রয়েছে। ওই শ্রমিককে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর সব খরচ নিয়োগকর্তা বা সংশ্লিষ্ট লঙ্ঘনকারীকে বহন করতে হবে।
একই ধরনের অপরাধ পুনরায় করলে জরিমানার পরিমাণ তিন গুণ করা হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
লাওসে বর্তমানে কতজন বাংলাদেশি কর্মরত আছেন, তা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়নি। কোন কোন খাত এই স্থগিতাদেশে বেশি প্রভাবিত হবে, সে বিষয়েও বিস্তারিত জানানো হয়নি। বাংলাদেশ থেকে লাওসে শ্রম অভিবাসন ঐতিহাসিকভাবে মূলত নির্মাণ ও উৎপাদন খাতকেন্দ্রিক।