বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন বলেন, চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংক প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংককে এক হাজার কোটি টাকা দেবে। ওই অর্থ দিয়ে যেসব দেশে বাংলাদেশি কর্মীরা যাবেন, সেসব দেশের মৌলিক ভাষা শেখার জন্য ঋণ দেওয়া হবে।
তবে এই উদ্যোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অর্থনীতিবিদ ও অভিবাসন খাতের বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, ভাষা শিক্ষার জন্য ১০ লাখ টাকা ঋণের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে ভাবা দরকার। সেন্টার ফর এনআরবির চেয়ারপার্সন এম এস শেকিল চৌধুরী বলেন, ভাষা শিক্ষার জন্য এত বড় অঙ্কের ঋণ নির্ধারণ করলে এর অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
তবে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক বলছে, ঋণের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে কঠোর শর্ত রাখা হয়েছে। ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়াহিদা বেগম জানান, জাপানে যেতে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হচ্ছে। তবে এই অর্থ কর্মীর হাতে দেওয়া হবে না। জাপানের যে কলেজে তিনি ভাষা শিখবেন, সরাসরি সেই প্রতিষ্ঠানে টিউশন ফি পরিশোধ করা হবে।
ভাষা শিক্ষা ছাড়াও অভিবাসন খাতের উন্নয়নে নিজস্ব নিয়ম অনুযায়ী এই তহবিল ব্যবহার করতে পারবে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।