প্রবাসী কর্মীদের স্বাস্থ্যসেবার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বিমানবন্দরে দ্রুত একটি জরুরি চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপনের নির্দেশ দেওয়ার কথা জানান মন্ত্রী। এ জন্য ইতোমধ্যে চিকিৎসা কেন্দ্রের স্থান নির্বাচন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
প্রবাসী কর্মীদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার প্রস্তুত রয়েছে উল্লেখ করে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ফ্লাইট বিলম্ব কিংবা সময়সূচি বিপর্যয়ের কারণে অনেক সময় প্রবাসী যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। বিমানবন্দর শহর থেকে দূরে হওয়ায় তাঁদের থাকা-খাওয়ার সমস্যাও বেড়ে যায়।
এই ভোগান্তি কমাতে বিমানবন্দরের পাশে রেস্টহাউস নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি। এর ফলে ফ্লাইট বিলম্ব বা অন্য কোনো পরিস্থিতিতে যাত্রীরা সেখানে স্বাচ্ছন্দ্যে অবস্থান করতে পারবেন।
পরে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সরকার গঠনের পর মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধসহ নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও গত সাত মাসে প্রায় ৪ লাখ ৩৪ হাজার কর্মী বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন। সামনের দিনগুলোতে বৈদেশিক শ্রমবাজারে আরও ভালো ফলাফল দেখা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রবাসীদের আইনি সহায়তা জোরদারের লক্ষ্যে একটি প্রস্তাব উত্থাপন করেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। মন্ত্রী প্রস্তাবটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন এবং প্রবাসীদের আইনি সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠানে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদারসহ মন্ত্রণালয়, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন এবং বিমানবন্দর পরিচালনা কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।