ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট শর্ত রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতিমালার আওতায় যেসব দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কার্যকর বা প্রস্তাবিত বাণিজ্য ও নিরাপত্তা কাঠামো রয়েছে এবং যেসব পণ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জরুরি স্বাস্থ্য চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ, সেসব ক্ষেত্রেই শুল্ক ছাড় কার্যকর হবে।
শূন্য শুল্কের জন্য নির্ধারিত তালিকায় বাংলাদেশের পাশাপাশি রয়েছে আর্জেন্টিনা, ভারত, কম্বোডিয়া, ইকুয়েডর, এল সালভাদর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, গুয়াতেমালা, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, জর্ডান, মালয়েশিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, সুইজারল্যান্ড ও লিশটেনস্টাইন, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাজ্য এবং ভিয়েতনাম।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়েছে, এ সুবিধা সব ধরনের ওষুধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। নির্দিষ্ট তালিকার বাইরে থাকা পেটেন্টযুক্ত সাধারণ ওষুধের ওপর আগের নিয়ম অনুযায়ী শুল্ক কার্যকর থাকবে।
ফলে নতুন সিদ্ধান্তের আওতায় বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানিকারকেরা মূলত নির্দিষ্ট বিশেষায়িত ওষুধ ও চিকিৎসা উপাদান রপ্তানির ক্ষেত্রে শুল্কসুবিধা পাবেন; দেশের সব ধরনের ওষুধ এ সুবিধার আওতায় আসছে না।