বাণিজ্যিক সূত্রগুলো বলছে, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মতো দীর্ঘমেয়াদি এলএনজি আমদানিকারকদের আগামী নভেম্বর পর্যন্ত কাতার থেকে গ্যাসের চালান না পাওয়ার বিষয়ে জানানো হয়েছে।
এদিকে কাতারের এলএনজি রপ্তানিতেও বড় ধস নেমেছে। বাজার বিশ্লেষণকারী সংস্থা আইসিআইএসের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের আগস্টে কাতার ৫০৯টি এলএনজি কার্গো পাঠালেও চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত পাঠাতে পেরেছে মাত্র ১৮টি।
অর্থাৎ আগস্টের শেষ নাগাদ কাতারের এলএনজি রপ্তানি প্রায় ৯৬ শতাংশ কমেছে।
এদিকে কাতার থেকে আরও ছয়টি চালান বাতিল করেছে ইতালির এডিসন। সব মিলিয়ে প্রতিষ্ঠানটির না পাওয়া চালানের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৫টিতে।
সংকট মোকাবিলায় বিকল্প হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহকারীদের ওপর নির্ভর করছে এডিসন।
জ্বালানি সরবরাহে এই অনিশ্চয়তা বাংলাদেশের জন্যও নতুন চাপ তৈরি করতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।