ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, সফরকালে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। একই সময়ে মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি বড় বাণিজ্যিক চুক্তিও সম্পন্ন হয়। চুক্তিটি নিয়ে ট্রাম্প তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানান।
ওই ব্রিফিংয়েই মরিসন জানিয়েছিলেন, বেসামরিক পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হতে যাচ্ছে। এর একদিন পরই নিউইয়র্কে আনুষ্ঠানিকভাবে এতে স্বাক্ষর করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।
এদিকে, রাশিয়ার সহযোগিতায় ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলার সময়েই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই সমঝোতা হলো। তবে আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না থাকায় রূপপুর প্রকল্পের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য প্রয়োজনীয় ইউরেনিয়াম জ্বালানি পূর্বনির্ধারিত সময়ে বাংলাদেশে পৌঁছাতে পারেনি।