পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় জোনাথনের শ্বশুর শাউয়ং ঝাং এবং শাশুড়ি শিলি চেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রথম-ডিগ্রি হত্যার পাশাপাশি গুরুতর অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের সঙ্গে সম্পর্কিত আরও কয়েকটি অভিযোগ আনা হয়েছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম কেজিও-টিভিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তারা পরপর কয়েকটি গুলির শব্দ শুনেছিলেন। এরপর জোনাথনকে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। প্রত্যক্ষদর্শী আসাদ রাজাবি বলেন, তিনি ওই ব্যক্তিকে মাথা ও বুকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেছেন।
আরেক প্রত্যক্ষদর্শীর ভাষ্য অনুযায়ী, তার বাবা ওই দম্পতিকে একসঙ্গে হাঁটতে দেখেছিলেন এবং গুলির ঘটনার পর তাদের ঘটনাস্থল থেকে চলে যেতে দেখেন। পরে ঘটনাস্থলের কাছ দিয়ে যাওয়া এক পুলিশ কর্মকর্তা তাদের আটক করেন।
তবে জোনাথনকে হত্যার সম্ভাব্য উদ্দেশ্য বা ঘটনার পেছনের কারণ এখনো প্রকাশ করেনি পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর ওই দম্পতিকে সান্তা রিটা কারাগারে রাখা হয়েছে।
তাদের পক্ষে কোনো আইনজীবী নিয়োগ করা হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বুধবার তাদের আদালতে হাজির করে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ উপস্থাপনের কথা রয়েছে।