দগ্ধরা হলেন—ইমনের বাবা সিদ্দিক বেপারী, চাচাতো ভাই রাজিব, ফুফাতো ভাই আরিফুর রহমান ধলু এবং ফুফাতো বোন তানিয়া আক্তার।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তানিয়ার শরীরের ৬০ শতাংশ, সিদ্দিকের ৩৫ শতাংশ, রাজিবের ১৫ শতাংশ এবং আরিফুর রহমানের ৮ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
স্বজনদের দাবি, বাড়ির সামনে ময়লা পানি জমে থাকা নিয়ে ইমনের বোন সুলতানা ও তানিয়ার মধ্যে বাগবিতণ্ডার জেরে পারিবারিক বিরোধের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি ইমনকে জানানো হলে তিনি শুক্রবার সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরেন।
পরদিন শনিবার বিকেলে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ইমন সবাইকে হত্যার হুমকি দেন বলে স্বজনরা জানান। এরপর নিজের ও পরিবারের সদস্যদের গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন বলে তাদের অভিযোগ।
পরে স্থানীয়রা দগ্ধদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার ইমনের মৃত্যু হয়।