পরিবারের আরও অভিযোগ, রেহেনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার কথা বললে বিদেশে পাঠানোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দালাল ও রিক্রুটিং এজেন্সির পক্ষ থেকে তিন থেকে চার লাখ টাকা দাবি করা হচ্ছে।
রেহেনাকে সৌদি আরবে পাঠানোর সঙ্গে যুক্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরের দালাল গিয়াস উদ্দিন এবং ঢাকার ফকিরাপুলের ‘জেনিয়া ওভারসিস’-এর কর্মকর্তা হাসান মিয়া নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে দেশে ফিরিয়ে আনতে টাকা দেওয়ার শর্তের কথা জানিয়েছেন তারা।
অন্যদিকে, একই গ্রামের আরেক নারী কর্মীর সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে সম্প্রতি ‘জেনিয়া ওভারসিস’-এর লাইসেন্স প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় বাতিল করেছিল বলে জানা গেছে।
এ অবস্থায় স্ত্রীকে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে লিখিত আবেদন করেছেন রেহেনার স্বামী আলী আহমদ। তাঁর দাবি, সরকারি উদ্যোগ ছাড়া স্ত্রীকে ওই পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার করা সম্ভব নয়।
ভুক্তভোগী পরিবারের আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের উপসহকারী পরিচালক মালেকা বেগম। তিনি জানান, বিষয়টি দ্রুত সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাসকে জানানো হয়েছে। রেহেনার অবস্থান শনাক্ত করে তাঁকে উদ্ধার এবং নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
এখন পরিবারের একটাই প্রত্যাশা—দ্রুত উদ্ধার হয়ে নিরাপদে দেশে ফিরুন রেহেনা খাতুন।