এদিকে ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে আঞ্চলিক দেশগুলো সহযোগিতা করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে পারে। দেশটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এমন দেশগুলোর বিমানবন্দর ‘ব্যবহারের অযোগ্য’ করে দেওয়ার হুমকিও দিয়েছেন।
৮ সেপ্টেম্বর ইরানের বিমান চলাচল খাতের সঙ্গে যুক্ত ৩৬টি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে ২৭টি ইরানি এয়ারলাইন্স রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, ইরানি বাণিজ্যিক বিমান সংস্থাগুলো অস্ত্র ও কর্মী পরিবহন এবং নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। তেহরান অবশ্য এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে নিষেধাজ্ঞাকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চাপের অংশ বলে অভিহিত করেছে।