তবে শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানোর পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের ওপর সম্ভাব্য আর্থিক চাপের বিষয়টিও বিবেচনায় নিচ্ছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম সম্প্রতি বলেছেন, বিপুল মুনাফা করা কোম্পানিগুলোতে শ্রমিকদের মাত্র ১ হাজার ৭০০ রিঙ্গিত বেতন পাওয়া দীর্ঘমেয়াদে টেকসই নয়। উৎপাদনশীলতা ও প্রতিষ্ঠানের আয় বাড়লে শ্রমিকদেরও তার ন্যায্য অংশ পাওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি।
এদিকে দীর্ঘমেয়াদে একটি টেকসই মজুরি কাঠামো গড়ে তুলতে শ্রমিকদের দক্ষতা, উৎপাদনশীলতা এবং প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয়।
সরকার ন্যূনতম মজুরি ২ হাজার রিঙ্গিত করার কথা ভাবলেও মালয়েশিয়ান ট্রেডস ইউনিয়ন কংগ্রেস (এমটিইউসি) তা বাড়িয়ে ৩ হাজার ১০০ রিঙ্গিত করার দাবি জানিয়েছে। কয়েকটি সরকারি প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে এই পরিমাণ বেতনকে ‘লিভিং ওয়েজ’ হিসেবে বিবেচনা করছে।
তবে সব খাতে ৩ হাজার ১০০ রিঙ্গিত ন্যূনতম মজুরি কার্যকর করা হলে ছোট ব্যবসা ও প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।
অন্যদিকে জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ায় বর্তমান মজুরিতে মালয়েশিয়ায় কর্মরত অনেক বাংলাদেশি শ্রমিককে সংসার চালানোর পাশাপাশি সঞ্চয় করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ন্যূনতম মজুরি বাড়ানো হলে তাদের আর্থিক চাপ কিছুটা কমতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
এর পাশাপাশি ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মী ও নিয়োগকর্তা উভয়ের জন্য ভবিষ্যৎ তহবিল বা ইপিএফে ২ শতাংশ করে চাঁদা দেওয়ার নতুন নিয়ম কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।