মিসরের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে অভিযোগ করেছে, ‘মাতসাদ্দাশ’ বিদেশ থেকে পরিচালিত হচ্ছে এবং মুসলিম ব্রাদারহুডের একটি গণমাধ্যম কাঠামোর অংশ হিসেবে কাজ করছে। মন্ত্রণালয়ের দাবি, দেশটির ভেতরে থাকা সংগঠনটির কিছু সদস্যও এ কাজে সহযোগিতা করছিলেন।
তবে ‘মাতসাদ্দাশ’ এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, মুসলিম ব্রাদারহুড-সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভুল তথ্য সংশোধন করে তারা একাধিক প্রতিবেদনও প্রকাশ করেছে।
গ্রেফতার হওয়া ছয় সাংবাদিক হলেন—মোহাম্মদ আশরাফ আবু এমেইরা, আবদুল্লাহ কাদরি, ইসলাম বারাকাত, ওমর হেলাল, মোহাম্মদ মাহমুদ ও মোহাম্মদ আদেল। ইআইপিআর জানিয়েছে, গ্রেফতারের পর সাংবাদিকদের অবস্থান সম্পর্কে তাদের পরিবার ও আইনজীবীদের অবহিত করা হয়নি।
মিসর ২০১৩ সালে মুসলিম ব্রাদারহুডকে নিষিদ্ধ করে। একই বছর সেনাবাহিনী তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ও সংগঠনটির নেতা মোহাম্মদ মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত করে।
এদিকে সাংবাদিকদের গ্রেফতারের ঘটনায় বিভিন্ন মানবাধিকার ও সংবাদমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট সংগঠন উদ্বেগ জানিয়েছে। ইআইপিআরসহ কয়েকটি সংগঠন ছয় সাংবাদিকের মুক্তি এবং তাদের আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিসরে সাংবাদিক ও অধিকারকর্মীদের বিরুদ্ধে ভুল সংবাদ ও গুজব ছড়ানোর অভিযোগে গ্রেফতারের ঘটনা রয়েছে। কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টসের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশটিতে ১৯ জন সাংবাদিক আটক রয়েছেন।